যে দোয়া মরণব্যাধি ক্যান্সার থেকে ফিরিয়ে আনলো!

এজাজ সাহেবের আদরের মেয়ে আতিয়া বাতুল। অত্যন্ত পরহেজগার এই মেয়ের বিয়ের সব প্রস্তুতি যখন শেষ, ঠিক তখন তার শরীরে ধরা পড়ে মরণব্যাধি ক্যান্সার।

ডাক্তারদের রিপোর্টে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে এজাজ সাহেবের। কিন্তু বাতুল ছিল শান্ত। সে বাবাকে আত্মবিশ্বাসের সাথে বলে, "আব্বু, ডাক্তাররা যা-ই বলুক, আমার ক্যান্সার হতে পারে না।"

বাতুল তার বাবাকে একটি দোয়ার আমল শোনায়। সে জানায়, নবীজি (সা.) শিখিয়েছেন, কেউ যদি কোনো অসুস্থ বা বিপদগ্রস্ত ব্যক্তিকে দেখে একটি বিশেষ দোয়া পড়ে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে যে, আল্লাহ তাকে এই রোগ থেকে বাঁচিয়ে রেখেছেন, তবে সেই রোগ তাকে কখনো ছুঁতে পারবে না।

বাতুল ছোটবেলা থেকেই কোনো ক্যান্সার রোগীর কথা শুনলে নিয়মিত এই আমলটি করত।

মেয়ের বিশ্বাসের ওপর ভর করে এজাজ সাহেব তাকে মুম্বাইয়ের বিখ্যাত এক ক্যান্সার হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে সব বড় বড় ডাক্তাররা পরীক্ষা করে অবাক হয়ে জানান,

"মিস্টার এজাজ, আপনার মেয়ের রিপোর্টটি আমাদের কাছে এক চরম বিস্ময়! চিকিৎসা বিজ্ঞানের সব সূত্র আর আলামত অনুযায়ী বাতুলের শরীরে ক্যান্সার বাসা বাঁধার কথা ছিল এবং আগের রিপোর্টগুলোতেও সেই মরণব্যাধির সব লক্ষণ (Risk Factors) স্পষ্ট ছিল।

কিন্তু বর্তমানের এই সূক্ষ্ম পরীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, তার শরীরে একটিও ক্যান্সার কোষের অস্তিত্ব নেই! মনে হচ্ছে কোনো এক অদৃশ্য বর্ম তাকে রক্ষা করেছে। আমরা ডাক্তাররা একে 'মেডিক্যাল মিরাকল' ছাড়া আর কিছুই বলতে পারছি না।"


সেই বিশেষ দোয়াটি হলো,

 الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي عَافَانِي مِمَّا ابْتَلاكَ بِهِ وَفَضَّلَنِي عَلَى كَثِيرٍ مِمَّنْ خَلَقَ تَفْضِيلاً

(উচ্চারণ: আলহামদুলিল্লাহিল্লাজি আফানি মিম্মাবতালাকা বিহি, ওয়া ফাদ্বলানি আলা কাসিরিম মিম্মান খালাকা তাফদ্বিলা।)

অর্থ: ​"সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাকে সেই বিপদ থেকে মুক্ত রেখেছেন যে বিপদে তোমাকে লিপ্ত করেছেন এবং আমাকে তাঁর সৃষ্টি জগতের অনেকের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন।"

আল্লাহর ওপর দৃঢ় বিশ্বাস থাকলে অসম্ভবও সম্ভব হয়। অন্যকে বিপদে দেখে নিজেকে নিরাপদ রাখার জন্য শুকরিয়া আদায় করা একটি বড় সুরক্ষা।

সূত্র: মু'জিযানা আছারাত

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url